আমার রান্নাঘরের ছবিগুলো এখন আরও উজ্জ্বল! xx999 এর ফটো এডিটর দিয়ে এক সপ্তাহের অভিজ্ঞতা।
· অফিসিয়াল
আমার রান্নাঘরের ছবিগুলো এখন আরও উজ্জ্বল! xx999 এর ফটো এডিটর দিয়ে এক সপ্তাহের অভিজ্ঞতা।
আমি একজন গৃহিণী। সারাদিন সংসারের কাজ, রান্না করা, আর বাচ্চাদের দেখাশোনা নিয়েই থাকি। এসবের ফাঁকেই যখন একটু সময় পাই, তখন মোবাইল দিয়ে পছন্দের রান্নার ছবি তুলি, বাচ্চাদের দুষ্টুমির মুহূর্তগুলো ধরে রাখি। কিন্তু প্রায়ই দেখতাম, ছবিগুলো কেমন যেন নিষ্প্রাণ লাগত। ভালো ক্যামেরা না থাকলে বুঝি এমনটাই হয়, তাই ভাবতাম।
একদিন আমার ছোট বোন বলল, ‘আপু, xx999 থেকে একটা ফটো এডিটর নামিয়ে নাও না! দেখবে ছবিগুলো কত সুন্দর হয়ে যায়!’ প্রথমে একটু দ্বিধা ছিল, কারণ আমি তো আর টেক-স্যাভি নই। কিন্তু ওর কথা শুনে সাহস করে xx999 ওয়েবসাইটে ঢুকলাম। দেখলাম অনেক ফটো এডিটিং অ্যাপ আছে, আর কোনটা যে নেব, বুঝতে পারছিলাম না। অবশেষে একটা সহজ ইন্টারফেস দেখে একটা অ্যাপ ডাউনলোড করলাম। xx999 এ ডাউনলোড করাটা এতটাই সহজ ছিল যে আমি নিজেই অবাক হয়ে গেছি!
সপ্তাহব্যাপী আমার ডায়েরি:
- প্রথম দিন: ডাউনলোড করার পর প্রথম যে ছবিটা এডিট করলাম, সেটা ছিল আমার বানানো বিরিয়ানির। সামান্য ব্রাইটনেস আর কনট্রাস্ট বাড়িয়েই ছবিটা একদম জীবন্ত হয়ে গেল!
- তৃতীয় দিন: বাচ্চাদের খেলার ছবি তুলেছিলাম। অ্যাপের ‘অটো এনহ্যান্স’ অপশনটা ব্যবহার করলাম, আর ওমনি ছবিগুলো যেন কথা বলতে শুরু করল। মনে হলো প্রফেশনাল ক্যামেরায় তোলা!
- পঞ্চম দিন: আমার বাগানের ফুলের ছবি তুলেছিলাম। কালার স্যাচুরেশন বাড়িয়ে ফুলগুলো আরও রঙিন আর প্রাণবন্ত দেখাচ্ছিল। এই এডিটরটা ব্যবহার করা এতটাই সহজ যে, আমার মতো যে কেউ করতে পারবে।
- সপ্তম দিন: আজ সকালে নাস্তার ছবি তুলে এডিট করে আমার ননদকে পাঠালাম। সে তো ছবি দেখে অবাক! জিজ্ঞেস করল, ‘ভাবী, নতুন ফোন কিনেছ নাকি?’ আমি হেসে বললাম, ‘না গো, xx999 এর জাদু!’
এই এক সপ্তাহে আমার ছবি তোলার আর এডিট করার অভিজ্ঞতাটাই পাল্টে গেছে। এখন আমি যেকোনো ছবি তুলি, আর জানি xx999 থেকে নামানো এই ফটো এডিটর দিয়ে আমি সেগুলোকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারব। এটা আমার প্রতিদিনের ছোট্ট ছোট্ট মুহূর্তগুলোকে আরও স্পেশাল করে তুলেছে। ধন্যবাদ xx999!